কপালভাতি প্রাণায়াম

২. কপালভাতি প্রাণায়াম

 কপালভাতি প্রাণায়াম || kapalbhati pranayam

কপালভাতি করতে হবে মধ্যম গতিতে । এই প্রাণায়ামে শ্বাস ছাড়া অর্থাৎ রেচকের ওপর জোর দেওয়া হয় । শ্বাসকে ভিতরে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় না । নাকের ডগায় বাতাস থাকবেই । কারণ আমরা বাতাসেই ডুবে আছি।  এই প্রাণায়াম সময় নজরদারি করা হবে, যেহেতু অবিশ্বাস্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাক।  যে বাড়ের স্বাস্থ্য গতি।  ।  অভ্যাসকারীর কাজ সম্পূর্ণ একাগ্রহীন শ্রোতাদের যতটুকু সময় দেওয়া হয় তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়।  বিশ্বাসের বাধা দেওয়া হয়  এর ফলস্বরূপ পেট হাপার মাতায় ঢুকবে আর বারবে।  প্রাণীর পাতাগুলি  ততক্ষণে দেখা যাবে পেটেন্ট ঢদেউ খেলো।  বাঘা ছাড়ার সময় মুলাদার, স্বার্থী এবং মণিপুর কুণ্ডিত ও অনুসন্ধান করা হবে।  কমপক্ষে পাঁচ মিনিট এটি করা হবে।  তারপরে ধৈর্য্য ধীরে ধীরে বাড়িঘর  এই প্রাণায়াম মুখমন্ডলের দীপ্তি ও সৌন্দর্য বাড়ে।
কফজনিত রোগ, সাইনাস, থাইরয়েড, ক্যানসার প্রস্টেট, হার্ট, মস্তিষ্ক, ফুসফুসের রোগকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়। এছাড়াও আরও নানা সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.